কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের নির্দেশ মতন শহরের সমস্ত রুফটপ রেস্তোরাঁ সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছিলো। মেছুয়ার হোটেলে অগ্নিকান্ডের জেরে ১৬ জনের মৃত্যুর জেরে শহরের বিল্ডিংগুলোকে আগুন লাগা থেকে নিরাপদ রাখার জন্য এরকমই একটি নির্দেশ দেন মেয়র। তবে এই নির্দেশের পাল্টা রেস্তোরাঁ মালিকদের সংগঠন মামলা করে হাইকোর্টে।

সেই মালমার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় এখুনি কোন রুফটপ রেস্তোরাঁকে বন্ধ করা যাবে না। কোনও কড়া পদক্ষেপও নেওয়া যাবে না। বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানি।

দিঘা থেকে ফিরে মুখ্যমন্ত্রী বড়বাজারে মেছুয়াতে গিয়ে একাধিক হোটেলের বেনিয়মের কথা উল্লেখ করেছিলেন। পার্কস্ট্রীটের ম্যাগমা বিল্ডিংয়ের নাম করে বেনিয়মের অভিযোগ করেন। তারপর সেখানে সারপ্রাইজ ভিজিটেও জান তিনি। সেখানে গিয়ে দেখা যায় ঘিঞ্জি এলাকার হোটেলের বাইরে সারি দিয়ে দাঁড় করানো গ্যাস সিলিন্ডার। এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমার কাছে খবর ছিল বলেই আমি দেখে গেলাম। এবার কলকাতা পুলিশ কমিশনার, মেয়র, দমকলমন্ত্রী মিটিংয়ে বসবেন।”

এরপরেই মেয়র বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নেন শহরের সমস্ত রুফটপ রেস্তোরাঁ বন্ধ করতে হবে। সেই মতন ভাঙার কাজ শুরু হয় ম্যাগমা রেস্তোরাঁ থেকে। তারপর একের পর এক রেস্তোরাঁ ভাঙার কাজ করতে থাকেন পুরসভার কর্মীরা। তার জেরেই পাল্টা মামলা করে রেস্তোরাঁ মালিক সংগঠন। আর তাতেই স্বস্তি পেলো শহরের রেস্তোরাঁগুলি।

Leave a comment