জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ নিয়ে যখন কুৎসাতে ব্যস্ত বিজেপির উঁচুতলার নেতারা উল্টো ছবি দেখালো আলিপুরদুয়ার। গত শুক্রবার দিঘার জগন্নাথ ঠাকুরের মহাপ্রসাদ বিলি হয়, আলিপুরদুয়ার পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের অরবিন্দনগর এলাকায়।সেখানেই বাড়ি বিজেপির ওই ওয়ার্ডের শক্তি কেন্দ্রের প্রমুখ পারমিতা দের।পুর চেয়ারম্যান বাবলু কর প্রসাদ হাতে পারমিতা দের বাড়িতে ঢোকার আগে পারমিতা ঘর থেকে বেরিয়ে প্রসাদ গ্রহণ করেন।

জগন্নাথ দেবের নামে জয়ধ্বনীও দেন পারমিতা বলেন, “ঠাকুর সবার। আমরা তো রাম মন্দিরের চাল বিলি করেছিলাম তবে প্রসাদ নিয়ে কেন রাজনীতি হবে।চেয়ারম্যান মহোদয় কে আমি শ্রদ্ধা করি। সেই কারণে তাঁর হাত থেকে ঠাকুরের প্রসাদ নিতে কোনও আপত্তি নেই তো। আমরা সকলে প্রণাম করে সেই প্রসাদ খেয়েছি।’’
প্রসাদ গ্রহণ করেছেন বিজেপির অফিস সম্পাদক শঙ্কর সিনহার স্ত্রীও। যিনি মিষ্টির দোকানে প্রসাদ বিতরণের বিরোধিতা করে সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন।
সাত নম্বর ওয়ার্ডের জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ নিয়ে বেরিয়েছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর পার্থপ্রতিম ঘোষ।

বিজেপির নেপাল সাহাও হাসিমুখে মহাপ্রসাদ নিয়েছেন।
যে ছবি এখন সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল। চেয়ারম্যান বাবলু কর। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবার কাছে প্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছেন। আমরা সকলের কাছে প্রসাদ পৌঁছে দিচ্ছি। যারা সমাজমাধ্যমে প্রসাদ নিয়ে প্রশ্ন তুলে কুৎসা ছড়াচ্ছেন, তাঁরা জনবিচ্ছিন্ন হবেন। তবে কেউ না নিতে চাইলে আমরা জোর করে প্রসাদ দিচ্ছি না।বিজেপির জেলা সভাপতি মিঠু দাস বলেন, “দেখুন স্থানীয়ভাবে কেউ বাড়িতে এলে তো আর অসৌজন্যতা প্রকাশ করা যায় না। সেই কারণে হয়তো আমাদের কেউ কেউ মিষ্টির প্যাকেট গ্রহণ করেছেন। এতে আপত্তির কী আছে। তবে মিষ্টির দোকানে তৈরি করে মিষ্টিকে প্রসাদ হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল।’’

এদিন জেলায় ৪৭ হাজার প্রসাদের প্যাকেট বিতরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক। তিন দিনে জেলায় মোট ১ লক্ষ ৪৫ হাজার পরিবারে প্রসাদ বিতরণ হল।

Leave a comment