১৬৮ জন যাত্রী নিয়ে গুয়াহাটি থেকে চেন্নাই যাচ্ছিল ইন্ডিগোর একটি বিমান। মাঝ আকাশে থাকা অবস্থায় পাইলট দেখেন বিমানে জ্বালানি পর্যাপ্ত নেই। তাই ‘ফুয়েল ডেফিসিয়েন্সি’-র কারণে ‘মে ডে’ ঘোষণা করেন পাইলট। অবশেষে বেঙ্গালুরু তে জরুরী অবতরণ করান হয় বিমনটিকে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার।

গুয়াহাটি থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে বিকেল ৪.৪০ নাগাদ যাত্রা শুরু করেছিল ইন্ডিগোর 6E-6764(A321)। চেন্নাইতে সন্ধ্যা ৭.৪৫ নাগাদ অবতরণের কথা ছিল বিমানটির। কিন্তু কিছু কারণবশত অবতরণের অনুমতি না মেলায় আকাশেই ঘুরতে থাকে বিমানটি।

সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, মাঝ আকাশে থাকা কালীন পাইলট দেখেন জ্বালানি একদম তলানিতে রয়েছে। এর পরেই ‘মে ডে’ ঘোষণা করেন পাইলট। ‘মে ডে’ শব্দটি ফরাসি শব্দ ‘মেইডার’ থেকে এসেছে যার অর্থ ‘আমাকে সাহায্য করুন’। সাধারণত সামরিক ও অসামরিক বিমানের বিপদ সংকেত পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয় ‘মে ডে’। পাইলট তিনবার ‘মে ডে’ কল করলে নিকটস্থ এটিসি সাহায্যের জন্য তৎপর হয়ে ওঠেন।

বৃহস্পতিবার বিপদের খবর পাওয়ার পর, এটিসি (এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল) ঘটনাস্থলে থাকা কর্মীদের সতর্ক করে। তাঁরা তৎপর হয়ে চিকিৎসা ও অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের সেখানে পাঠান। রাত ৮:২০ মিনিটে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে।

জ্বালানির বিষয়ে এখনও কোনও কথা জানায়নি ইন্ডিগো। এই ঘটনার পর বিমানের দু’জন পাইলটকে ‘ডি-রস্টার’ করা হয়েছে অর্থাৎ রোজকার কাজ থেকে সাময়িক বিরতি দেওয়া হয়েছে।

আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছে ২৪১ জন আরোহীর। এর রেষ কাটতে না কাটতেই একটার পর একটা বিমান বিভ্রাট সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবার ইন্ডিগোর বিমান বিভ্রাট নতুন সংযোজন।

Leave a comment