আহমেদাবাদের মেঘানিনগরের কাছে মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় উঠে এসেছে নতুন তথ্য। সূত্রের খবর, টেক-অফের আগে কোনও ত্রুটিই নাকি ধরা পড়েনি এআই১৭১ বিমানটিতে। VT-ANB নম্বরযুক্ত বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনারটি ২০২২ সালে একটি সম্পূর্ণ সি-চেক পাশ করেছিল। পরবর্তী সার্ভিস হওয়ার কথা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে।

বিমানের ডানদিকে থাকা ইঞ্জিনটি ২০২৫ সালের মার্চে নতুনভাবে সারাই করে ইন্সটল করা হয়েছিল। বাঁদিকের ইঞ্জিনটি এপ্রিলে পরীক্ষা করা হয় এবং প্রোটোকল অনুযায়ী কাঠামো ও ইঞ্জিন পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছিল।

তাহলে সমস্যা কোথায় ছিল? প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পাইলটের হাতেই দু’দিক ফ্লাইট সিমুলেশন সিঙ্ক হয়নি। টেক অফ গিয়ারের বদলে ল্যান্ডিং গিয়ারে হাত চলে যায় একজনের। যার ফলে প্লেনটি নামতে আরম্ভ করে। তবে এটা প্রাথমিক রিপোর্ট। বিশদে আরও তদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে।

আজ সকালে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী কে রাম মোহন নাইডু সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, দেশের সমস্ত বোয়িং ৭৮৭বিমানের ওপর বাড়তি নিরাপত্তা পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। এখনও পর্যন্ত আটটি বিমানকে এই পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত বিমানটির ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা হয়েছে এবং তদন্তের জন্য এয়ারক্র্যাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB) ফরেন্সিক ও চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের একটি দল গঠন করেছে।

আহমেদাবাদ সিভিল হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১২ জুন লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর-গামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-১৭১ বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৪১ জনের মধ্যে ১৯ জন যাত্রীর পরিচয় DNA পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিবারের কাছে দেহগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এবং সরকারের পক্ষ থেকে নিখরচায় অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে। জেলাশাসকের দফতর থেকে দেহ ফিরিয়ে দেওয়ার সময় উপস্থিত থাকবেন সরকারি প্রতিনিধিরা, দেহের সঙ্গে মৃত্যুর সংশাপত্র প্রদান করা হবে। যাঁরা আকাশপথে দেহ নিয়ে যেতে চান তাঁদের সহায়তা প্রদান করবে এয়ার ইন্ডিয়া।

Leave a comment