রাজ্য সরকার বিভিন্ন ধরনের জনদরদী প্রকল্প নিয়ে এসেছে তার মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প হলো লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প। পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের মহিলাদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য ২০২১ সালে ফেব্রুয়ারিতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করে।

বর্তমানে রাজ্য সরকার রাজ্যের প্রতিটি মহিলা যাদের বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে তাদের প্রতিমাসে আর্থিক সাহায্য বাবদ সাধারণ মহিলাদের জন্য ১০০০ টাকা এবং সংরক্ষিত মহিলাদের জন্য ১২০০ টাকা অনুদান দিয়ে থাকেন। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, এই আর্থিক সহায়তার পরিমাণ শীঘ্রই বাড়তে চলেছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম প্রকল্প নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজাও চলতে থাকে। বিধানসভায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে রাজ্যের শিশু ও নারী কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী শশী পাঁজা জানান, ২০২৪ সালের ৩১শে অক্টোবর মাস অবধি নথিভুক্ত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপকের সংখ্যা ২ কোটি ১৫ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৭৫ জন।

মন্ত্রী পরিসংখ্যান দিয়ে জানান বিপুল সংখ্যক মানুষের জন্যে রাজ্যের অর্থ ব্যয় হয়েছে ৪৮ হাজার ৪৮৯.৭২ কোটি টাকা। ৬ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৫৫ জন বার্ধক্য ভাতা দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেন, “এর পিছনে কোনও রাজনীতি নেই। এখানে পাইয়ে দেওয়ার ও রাজনীতি নেই।”

তৃনমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই একের পর এক প্রকল্প চালু করেছে। ভাতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রকল্প রয়েছে যার দ্বারা উপকৃত হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। মমতা সরকারের চালু করা বিভিন্ন প্রকল্পের তালিকায় আছে বিধবা ভাতা থেকে বার্ধক্য ভাতা।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে শাসক দলকে কটাক্ষ করে বিরোধীরা।

বিরোধী শিবির দাবি করে বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’য় ৩ হাজার টাকা দেওয়া হবে কিন্তু লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে প্রবল অনীহা প্রকাশ করে তারা।
২১ শের বিধানসভা ও চব্বিশের লোকসভা ভোটে তৃণমূলের বিপুল ভোটে জয়ী হওয়ার পর বিরোধীদের নিশানায় এই ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’।

কিন্তু গ্রাম বাংলায় তৃণমূলের এই প্রকল্পের জনপ্রিয়তা যে কতটা, তা বলাই বাহুল্য। উত্তরবঙ্গের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সারা জীবন চলবে এই প্রকল্প।

Leave a comment