মেঘালয়ের শিলং-এ হানিমুন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল দম্পতি। তার ১১ দিন পর একটি খাদ থেকে উদ্ধার হয় কাটারি দিয়ে আঘাত করে ক্ষতবিক্ষত স্বামী রাজা রঘুবংশীর দেহ। স্ত্রী সোনাম এখনও বেপাত্তা। এই পুরো বিষয়টি দিয়ে দানা বাঁধছে রহস্য।

তদন্তে ইস্ট খাসি হিলস পুলিশ সুপার বিবেক সায়াম এই বিষয়ে তদন্ত করছেন বলেই খবর। স্বামীর হাতে ছিল হীরের ব্রেসলেট। সঙ্গে একটি ওয়ালেটও ছিল। ঐ দম্পতির কাছে ৩-৪টি মোবাইল-ও ছিল। সম্ভবতঃ যার একটি মোবাইল ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। এর ফলে বিষয়টি খুনের দিনের মোড় নিচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তবে কি কোনও পারিবারিক সমস্যা ছিল ঐ দম্পতির? সম্প্রতি সোনমের বাপের বাড়ির দরজায় একটি ছবি ঝলতে দেখা গিয়েছে এবং সেখান থেকেই ঘণীভূত হচ্ছে রহস্য। সেখানে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সোনমের একটি ছবি। তবে কি সোনমের বিবাহে অমত ছিল পরিবারের?

এর কোনও প্রতিক্রিয়া সোনমের বাপের বাড়ির তরফে পাওয়া যায়নি বলেই সূত্রের খবর। তবে গত শুক্রবার এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন সোনমের বাবা। তিনি জানিয়েছেন পারিবারিক জ্যোতিষীর পরামর্শেই ঐ পদক্ষেপ তাঁরা নিয়েছিলেন। তাঁর মতে যে মেয়ে নিখোঁজ হয়েছে তাঁকে কোনও অলৌকিক শক্তি ছাড়া ফিরিয়ে আনতে পারবে না। তাই জ্যোতিষীর পরামর্শেই এমন কাজ তিনি করেছেন।

Leave a comment