প্রতিদিন বাড়ছে সোনা ও রুপোর দাম। তার অন্যথা হ’ল না বুধবারও। গতকাল এক লক্ষ টাকা পার করেছিল রুপো। সোনাও এক লাখের অভিমুখে এগোচ্ছে। আজ এক লাফে সোনা ও রুপোর দাম বেশ বেড়ে গেল। ধিরে ধিরে পুজো এগিয়ে আসছে তার আগেই সোনা এক লাখ টাকা ছোঁবে কিনা সেই নিয়ে অনেকেই চিন্তিত।

তবে এক শ্রেণীর যাঁরা আগে থেকেই গোল্ড ইটিএফ, ডিজিটাল গোল্ডে আমানত করে রেখেছেন তাঁরা এবং যে সমস্ত বুলিয়ান মার্চেন্টরা আগে কম দামে সোনা মজুত করে রেখেছিলেন, দাম বাড়ার ফলে তাঁরা খুশি। তবে এটাও ঠিক মাত্রাতিরিক্ত দাম বাড়লে মধ্যবিত্তরা যদি সোনার গয়না না বানায় তখন ধিরে ধিরে ব্যবসায় খরা দেখতে পাবেন স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা। এর সঙ্গে কমতে থাকবে চাহিদাও। তখন গোল্ড ইটিএফ হোক বা সোনার বার সব ক্ষেত্রেই দাম কমতে বাধ্য।

আজ এক গ্রাম সোনা বা রুপোর দাম কত জানেন?

সোনা ও রুপো শুধুমাত্র অলঙ্কার হিসেবেই নয় এই ধাতুর ব্যবহার হয় অনেক শুভ কাজেও। তাছাড়াও বিনিয়োগ হিসেবেও সোনা ও রুপো কেনেন অনেকে। আগে কম দামে কেনা সোনা বা রুপো বাজারে বিক্রয় করতে গেলে লাভ হয় আমানতকারীর।

গহনার সোনা অর্থাৎ ২২ ক্যারেট বা ১৮ ক্যারেট এ খরচ বেশি হয় মূলত মজুরির জন্য। তবে ২৪ ক্যারেট অর্থাৎ বিশুদ্ধ সোনা ক্রয়ের ক্ষেত্রে বার অথবা কয়েন কিনতে হয় সেক্ষেত্রেও দাম বেশি পড়ে কারণ ১৮ ক্যারেট ও ২২ ক্যারেট অপেক্ষা ২৪ ক্যারেটের দাম অনেকটাই বেশি।

আজ যদি আপনি গয়না কেনাবেচা করেন বা ২৪ ক্যারেট সোনা কেনার কথা ভাবেন সেক্ষেত্রে কত খরচ হতে পারে আপনার? দেখে নিন আজকের বাজার দর (৪ জুন, ২০২৫)।

সোনাওজনদাম (টাকায়)
২৪ ক্যারেট (Fine Gold)১ গ্রাম৯৬৯৭
২২ ক্যারেট (কিনতে গেলে)১ গ্রাম৯২১৫
২২ ক্যারেট (বেচতে গেলে)১ গ্রাম৮৮২৪
১৮ ক্যারেট ১ গ্রাম৭৫৬৫
রুপো (৯৯৯)১ কেজি ১,০১,৪৫০

১৯৯৩ সালে গঠন করা হয় ‘স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটি’ যা স্বর্ণশিল্পী ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়ে গঠিত। বর্তমানে এই সংগঠনের কার্যনির্বাহী সভাপতি শ্রী সমর কুমার দে।

কয়েটি বিষয় সোনা কেনা বেচার বিষয়ে মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি:

১. ২৪ ক্যারেট অর্থাৎ ৯৯.৯% খাঁটি সোনা।

২. ২২ ক্যারেট অর্থাৎ ৯২% খাঁটি সোনা।

৩. ১৮ ক্যারেট অর্থাৎ ৭৫% খাঁটি সোনা।

৪. ১৪ ক্যারেট অর্থাৎ ৫৮.৩৩% খাঁটি সোনা।

হলমার্ক: যে কোনও সোনার গহনায় ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান‌ স্ট্যান্ডার্ডসের (BIS) এর স্ট্যাম্প দেওয়া থাকে। যার মাধ্যমে বোঝা যায় গহনার বিশুদ্ধতা। স্ট্যান্ডার্ডসের (BIS) এর স্ট্যাম্প দেওয়া থাকে। যার মাধ্যমে বোঝা যায় গহনার বিশুদ্ধতা।

Leave a comment