জামাইষষ্ঠী মূলত বাঙালীর একটি ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব, যা শাশুড়ি মায়ের মাধ্যমে জামাইয়ের মঙ্গল কামনায় উদযাপন করা হয়। এই দিনে মেয়ের শ্বশুরবাড়ির (মা-বাবার) বাড়িতে জামাইকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয় এবং তাকে নানা উপাচারে ও খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

অন্য কোনো ধর্মে জামাইষষ্ঠীর মতো নির্দিষ্ট কোনো উৎসব নেই, তবে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে জামাইকে সম্মান জানানোর এবং শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার জন্য বিভিন্ন রীতি প্রচলিত আছে।

জামাইষষ্ঠীর মূল উদ্দেশ্য:

জামাইয়ের মঙ্গল কামনা। শাশুড়ি মায়েরাও জামাইয়ের সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

দাম্পত্য জীবনের সুখ:

শাশুড়ি মায়েরাও মেয়ের দাম্পত্য জীবন যাতে সুন্দর ও সুখের হয়, সে জন্য আশীর্বাদ ও প্রার্থনা করেন।

সন্তান ধারণ:

ষষ্ঠী দেবীকে সন্তান ধারণের দেবী হিসেবে মনে করা হয়, তাই জামাইষষ্ঠীর দিনে মেয়েরা সন্তান লাভের জন্য পূজা করে থাকে।

পরিবারের মিলন:

জামাইষষ্ঠী একটি পরিবারকে একত্রিত করার দিন হিসেবে পালন করা হয়, যেখানে পরিবারের সবাই একসাথে খাবার খায় এবং আনন্দ করে।

অন্যান্য ধর্মে জামাইকে সম্মান জানানোর বিভিন্ন প্রথা আছে, কিন্তু জামাইষষ্ঠীর মতো নির্দিষ্ট কোনো উৎসব নেই। কিছু সংস্কৃতিতে জামাইকে শ্বশুরবাড়িতে বিশেষ সম্মান জানানো হয়, যেমন –

ইসলাম:

কিছু মুসলিম পরিবারে জামাইকে শ্বশুরবাড়ির অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে সম্মানিত করার প্রথা আছে।

খ্রিস্ট ধর্ম:

কিছু খ্রিস্টান পরিবারে জামাইকে শ্বশুরবাড়ির অনুষ্ঠানে সম্মান জানানো হয় এবং তাদের জন্য বিশেষ খাবার তৈরি করা হয়।

তবে, জামাইষষ্ঠী মূলত হিন্দু সংস্কৃতির একটি অংশ, যা বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

Leave a comment