ফের বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এই মুহূর্তে দেশে সংক্রমিতের সংখ্যা প্রায় ২ হাজারের মতো । দেশে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২,৭১০। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫১১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। বেশি আক্রান্তের সংখ্যা কেরলে। তারপরে মহারাষ্ট্র ও দিল্লি।

বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া করোনা ভাইরাসের পুনরুত্থানের মধ্যে এই খবর সামনে আসছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের সূত্র অনুযায়ী, কেরলে করোনা পজিটিভের সংখ্যা ১ হাজার ৩৩৯, মহারাষ্ট্রে বেড়েছে ৪৬৭, দিল্লিতে বেড়েছে ২৯৪ ও গুজরাতে বেড়েছে ২২৩।

গতকাল অবধি বাংলায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১৬ জন। কেরলে আক্রান্তদের সংখ্যা গত ২৪ ঘন্টায় ১৮৯।‌

তামিলনাড়ুতেও সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে মোট আক্রান্ত ১৪৮। এরই মধ্যে কলকাতায় আরও ২১ জন করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে।সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫জন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃদু উপসর্গ থাকছে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
করোনার ভয়ঙ্কর তাণ্ডবলীলার সাক্ষী গোটা বিশ্ব। বছর তিনেক মাথায় উঁকি দিচ্ছে করোনার ভ্রুকুটি ! মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, হংকংয়ের মতো জায়গা দিয়ে নতুন করে বাড়বাড়ন্ত শুরু। ভারতেও করোনার সংক্রমণের হারে বৃদ্ধি ধরা পড়ছে। চোখ রাঙাচ্ছে করোনার নতুন উপপ্রজাতি NB.1.8.1 ।

চিকিৎসক প্রভাসপ্রসূন গিরি ও চিকিৎসক অজয় সরকার বলেন, “ইনফেক্টিভিটি থাকবেই ভাইরাস সম্পূর্ণ রূপে তো আমরা ইরাডিকেট করতে পারিনি, আমরা প্রত্যেকেই ভ্যাকসিন নিয়েছিলাম। হয়তো আমাদের প্রত্যেকের তিনটি ভ্যাকসিন নেওয়া আছে। অতএব ভ্যাকসিনেটেড যাঁরা তাঁদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই। কোভিডও থেকে যাবে নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে ।আমাদের যদি কোভিড এরকম বছরের পর বছর চলতে থাকে, যদি দেখা যায় যে কোভিডের জন্য মৃত্যু কিছুটা হলেও রয়েছে, তাহলে কি আমাদের প্রতি বছর বছর নিয়ম করে কোভিড ভ্যাকসিন নিতে হবে ? নাকি, এমন নতুন কিছু কোভিড ভ্যাকসিন নিতে হবে যেটা বহুদিন ৫-৬-৮ বছর অবধি রোবাস্ট ইমিউনিটি দিতে পারে ?

এই দুটো জিনিস আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। তার সঙ্গে সঙ্গে এটা ভাবতে হবে যদি কোনও তাৎপর্যপূর্ণ অসুখ করে থাকে, যাতে মৃত্যু বাড়ছে, যেহেতু এটা ভাইরাস এটার বিরুদ্ধে কোনও অ্যান্টি-ভাইরাস, কোনও ওষুধ আমাদের লাগবে কি না। লাগলে সেটা কী…সেটা এক্সিক্সটিং কোনও অ্যান্টি-ভাইরাল, নাকি নতুন কোনও অ্যান্টি ভাইরাল আমাদের আবিষ্কার করতে হবে।

Leave a comment