গত মঙ্গলবার নবান্নে বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুনভাবে ৩০ মে নোটিফিকেশন ঘোষণা করার কথা বলেছিলেন। সেই অনুযায়ী উচ্চ-প্রাথমিকে অ্যাসিস্ট্যান্ট টিচার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কমিশন।

সুপ্রিম কোর্টের ৩ ও ১৭ এপ্রিলের নির্দেশ অনুযায়ী ২০১৬ সালের চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকাদের বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওএমআর শীট সংরক্ষণ ও নম্বর বিভাজনেও বড় বদল আনা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ১৬ জুন থেকে ১৪ জুলাই করা যাবে আবেদন। লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে ৫৫ নম্বরের বদলে ৬০ নম্বরে। শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শিক্ষকতার ওপর ১০ নম্বর করে দেওয়া হবে। এছাড়া ক্লাস নেওয়ার দক্ষতা অর্থাৎ ‘লেকচার ডোমোস্ট্রেশন’ ও ইন্টারভিউ-এর ওপরেও থাকছে ১০ নম্বর করে।

২০২৫ সালের পরীক্ষায় নতুনভাবে সংযোজিত হ’ল ‘লেকচার ডেমোস্ট্রেশন’ ও পূর্ব-শিক্ষকতার ওপর অগ্রাধিকার হিসেব ১০ নম্বর সংযোজন করার বিষয়টি। স্বভাবতই, আগে অ্যাকাডেমিক রেজ়ল্টের গুরুত্ব ছিল ৩৫ শতাংশ এখন তা কমে দাঁড়ল ১০ শতাংশ। সুতরাং পড়ানোর দক্ষতা ও পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকলেও এগিয়ে থাকবেন চাকরিপ্রার্থীরা।

বদল আনা হয়েছে, OMR শীট সংরক্ষণের ওপরেও। হার্ডকপি ২ বছর ও স্ক্যান কপি ১০ বছল সংরক্ষনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। এছাড়াও, ওয়েট লিস্ট ও প্যানেলের মেয়াদ একবছর পর্যন্ত থাকবে‌। প্রয়োজন পড়লে আরও ছ’মাস বৃদ্ধি করা হবে মেয়াদ।

Leave a comment