সম্প্রতি ২০২৫ সালের ওয়াকফ আইন সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষ হয়েছে তবে রায়দান এখনও হয়নি। এর মধ্যেই ১৯৯৫ সালের ওয়াকফ আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মঙ্গলবার আরেকটি মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।
প্রধান বিচারপতি বি আর গাভাই এবং বিচারপতি এ জি মাসিহার বেঞ্চ দিল্লির বাসিন্দা নিখিল উপাধ্যায়ের আবেদনের ভিত্তিতে নোটিশ জারি করেছে। ওয়াকফ আইনে বর্তমান সংশোধনীগুলি চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট পিটিশনগুলির শুনানির সময় আদালত জীজ্ঞাসা করে কেন তিন দশক পুরানো আইনটিকে এত বছল পর চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে?
তখন একজন আবেদনকারী হরি শঙ্কর জৈনের আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন ব্যাখা করেছিলেন, অনেক আগেই ১৯৯৫ সালের ওয়াকফ আইনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়েছিল, তখন সুপ্রিম কোর্ট থেকে তাদের হাইকোর্টে আবেদন করার জন্য বলা হয়। সেক্ষেত্রেও বেঞ্ছ সন্তুষ্ট হয় নি।
গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়কে একই প্রশ্ন করলে, আইনজীবী জানান প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচার পতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ আগে থেকেই ২০২৫ ওয়াকফ সংশোধনীর বিষয়গুলি শুনেছিলেন। ইতিমধ্যেই ১৯৯৫ সালের আইনটি আলাদাভাবে শুনতে রাজি হয়েছেন এবং ২০২৫ সালের ওয়াকফ আইনের সংশোধনী মতামতগুলি দাখিল করার অনুমতি দিয়েছেন।
মামলাকারীদের বক্তব্য, ভারতে শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য তাদের দাতব্য সম্পত্তি সম্পর্কিত আইন রয়েছে। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে এরকম কোনও আইন নেই। তাই ১৯৯৫ সালের ওয়াকফ আইনকে চরম বৈষম্যমূলক বলা হয়েছে। তাছাড়াও কোনও সম্পত্তি যদি দাতব্য হয় তবেই সেটা ওয়াকফ সম্পত্তি বলে চিহ্নিত হচ্ছে। তবে সেই দান আইনসম্মত ভাবে লেনদেন হচ্ছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হয়নি ১৯৯৫ সালের আইনটিতে।
এর ভিত্তিতেই কেন্দ্র ও রাজ্যকে নোটিশ পাঠিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট। পরবর্তীতে এই মামলা কোনদিকে মোড় নেয় সেটাই এখন দেখার।

Leave a comment