চাকরিহারাদের সঙ্গে আজ বিকেলে নবান্নে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি জানান, আগামী ৩০ মে চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৪ জুলাই। পরে রিভিউ পিটিশন যা নির্দেশ হবে সেই অনুযায়ী নির্দেশিকা বদলানো হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই নোটিফিকেশন আসবে ৩১ মে-এর মধ্যে।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, আদালতে পূনর্বিবেচনার আবেদন জানাবে সরকার। কিন্তু গরমের ছুটি থাকায় কোর্টে পূনর্বিবেচনার শুনানি আপাতত বন্ধ রয়েছে। পূনর্বিবেচনা যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ পূর্বের রায়-ই বহাল থাকবে।
আজ নবান্নে এই বিষয়ে চাকরিহারাদের সঙ্গে বিস্তর আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে সেগুলি হ’ল:

১. সরকার সবসময় চাকরি হারাদের পক্ষে রয়েছে। রাজ্য চায় সকলেই চাকরি পাক।
২. সুপ্রিমকোর্টের দেওয়া ডেডলাইন অনুসারে ৩১ মে-এর মধ্যে নোটিফিকেশন জারি করা হবে। এরপর সুপ্রিমকোর্ট কোনও রিভিউ পিটিশন জারি করলে সেই অনুযায়ী নোটিফিকেশন জারি হবে।
৩. রিভিউ পিটিশন অনুযায়ী বিচার না পেলে ১৫ নভেম্বর প্যানেল এবং ২০ নভেম্বর কাউন্সেলিং হবে। অর্থাৎ কোর্টের রায় অনুযায়ী চলতে হবে।
৪. যারা কাজ করছেন তাঁরা কাজ করুন। নবম-দশমের জন্য প্রায় ১১ হাজার অতিরিক্ত শূণ্যপদ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডির জন্যও রয়েছে অতিরিক্ত শূণ্যপদ।
৫. যাঁরা এতদিন কিজ করেছেন তারা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার পাবেন। চাকরিহারাদের জন্য বয়সেও ছাড় পাওয়া যাবে।
৬. যাঁরা স্কুলে যাচ্ছেন। সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁরা মাইনে পাবেন ডিসেম্বর পর্যন্ত। কিন্তু পরীক্ষা না বসলে চাকরি থাকবে না। এটা যেহেতু সুপ্রিমকোর্টের রায়। সেটা মানতেই হবে।
৭. ৩০ মে শিক্ষকদের নোটিফিকেশনের পর গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি দেখা হবে।
৮. ভয়ের কিছু নেই। আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। নিজের উদ্যোগে সকলের চাকরি রক্ষার চেষ্টা করবো।

Leave a comment