মধ্যপ্রদেশের ভোপালে এক আদিবাসী মহিলাকে ধর্ষণ, শারিরীক অত্যাচার ও খুনের অভিযোগ উঠেছে। নৃশংসতা মনে করাবে দিল্লির নির্ভয়াকান্ডকে। শনিবার দুপুর নাগাদ এই ঘঠনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, ঐ মহিলার দু’টি সন্তান রয়েছে। এক প্রতিবেশির বাড়িতে নিজের মাকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে ঐ নির্যাতিতার মেয়ে। তারই আর্তনাদে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয় ঘটনাস্থলে। মেঝেতে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পড়েছিলেন ঐ মহিলা। মেঝে ভেসে যাচ্ছিল রক্তে। মাটিতে পড়েছিলো শরীরের অংশ, মাংসের দলা।

এরপরেই স্থানীয় লোকজন থানায় ধর্ষণের অভিযোগ জানান। যে পড়শির বাড়িতে নির্যাতিতার দেহ পড়েছিল সেই বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে সন্দেহ প্রকাশ করেন স্থানীয় মানুষজন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দু’জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ একজন ৩৬ বছর বয়সী যুবক হরি ও অন্যজন ৩২ বছর বয়সী সুনীল।

এই ঘটনায় অনেকেই মিল পাচ্ছেন ২০১২ সালে ১৬ ডিসেম্বর দিল্লিতে চলন্ত বাসে ঘটে যাওয়া গণধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে। যৌন নির্যাতনের পর শরীরে লোহার রড ঢুকিয়ে খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল সেইবার। বাঁধা দেওয়ায় ঐ নির্যাতিতার বন্ধুকেও আক্রান্ত হতে হয়েছিল নির্যাতনকারীদের হাতে। সেই ঘটনার ১৩ দিন পর মারা যান ঐ নির্যাতিতা তরুণী।

শনিবার ভোপালে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনা দিল্লির সেই নারকীয় ঘটনাকেই আবার মনে করিয়ে দিল।

Leave a comment