গুজরাত থেকে পাচার করা হচ্ছিল ভারতীয় বায়ুসেনা এবং বিএসএফ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এইসব তথ্য আদানপ্রদান করা হচ্ছিল পাকিস্তানি এজেন্টের সঙ্গে। এই অভিযোগেই গুজরাত থেকে শনিবার গ্রেফতার করা হয় সহদেব সিং গোহিল নামক এক ব্যক্তিকে।

২৮ বছর বয়সী সহদেব গুজরাতের কচ্ছের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন স্বাস্থ্যকর্মী। গুজরাতের সিনিয়র অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) অফিসার কে. সিদ্ধার্থ সাংবাদিকদের এই গ্রেফতারির খবর জানান।

২০২৩ সালে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাক এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ হয় সহদেবের। অদিতি ভরদ্বাজ নাম ভাড়িয়ে পরিচয় দিয়েছিল ঐ পাক এজেন্ট। সেখানেই ভারতীয় বায়ুসেনা ও বিএসএফ -এর নবনির্মিত ও নির্মিয়মান জায়গার ছবি পাঠায় সহদেব।

স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF) – এর তদন্তে উঠে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য থেকে জানা যায় ঐ পাক এজেন্ট সহদেবের কাছে IAF ও BSF এর বিভিন্ন সাইটগুলির ছবি ও ভিডিও চেয়েছিল। এই সব ছবি ভিডিওর জন্য সহদেবের অ্যাকাউন্টে এসেছে ৪০,০০০ টাকা।

কাশ্মীরে পেহেলঘাম কান্ডের পরই সামনে এসেছে একের পর ঐক গুপ্তচরের নাম।‌ জ্যোতি মালহোত্রা যিনি একজন ইউটিউবার তিনিও গ্রেফতার হয়েছেন গুপ্তচরবৃত্তির জন্য। এছাড়াও একজন ব্যবসায়ী ও নিরাপত্তারক্ষীও রয়েছেন ঐই তালিকায়।

Leave a comment