কৃষক বাজারে মিলছিল না কাজ। কীভাবে উপার্জন করে সংসার চালাবেন সেই নিয়ে দুশ্চিন্তা শুরু হয়। শেষে নিরুপায় হয়ে ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ – তে ফোন করে সমস্যার কথা জানান তাঁরা।
এরপরেই ধানের বস্তা লোডিং -এর কাজ পান তাঁরা। কাজ পেয়ে খুশি ঐ ৩৬ জন দিনমজুর। শিলিগুড়ির প্রশাসনিক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন ৩ কোটি ৬১ লক্ষ টাকায় ধূপগুড়ি কৃষক বাজারে তৈরি হবে অনিয়ন হাব।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে আগেই ধূপগুড়ির ঝুমুরের কাছে জাতীয় সড়কের ধারে তিন বিঘা জমির ওপর তৈরি হয় কৃষক বাজার। যেখানে পর্যাত পানীয় জলের ব্যবস্থা-সহ হাই পাওয়ার সোলার রোড লাইট ও ৫টি শৌচালয়, কৃষকদের জন্য বড় শেড, ফসল মজুত করার গুদাম সড় ২৬টি দোকান।
ঐ কৃষকবাজারেই প্রাথমিকভাবে শুরু হয় সরকারি ধান কেনাবেচা। সেখানে ধানের বস্তা ওঠানো ও নামানোর কাজ পান ঐ ৩৬ জন দিন মজুর। স্থানীয় সূত্রের খভর অনুযায়ী, বেশ কয়েক বছর ধান কেনাকাটার কাজ চলার পর স্থানীয় ধান ব্যবসায়ীদের অনুরোধে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল কাজ। যার ফলে ঝুমুর এলাকার দিনমজুররা সমস্যার সম্মুখীন হন। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ঐ এলাকার এক দিনমজুর হামিদুল হক ফোন করেন ৯১৩৭০৯১৩৭০ – তে। তারপরই হয় সমাধান।

Leave a comment