আবারও বাংলাদেশের পরিস্থিতি উদ্ভেগজনক হতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী শনিবার নাকি ইস্তাফা দিতে পারেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস। ইতিমধ্যেই সে বিষয়ে ইচ্ছে প্রকাশ করে থিনি বলেছেন, “দমবন্ধ পরিস্থিতিতে কাজ করা সম্ভব নয়।”

সূত্রের খবর, বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকর উজ্জামানের সঙ্গে সংঘাত চরমে পৌঁছেছে ইউনুস সরকারের। কিছুদিন আগেই দেশের নির্বাচন নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন সেনা প্রধান। তাঁর মতে একটি অগণতান্ত্রিক উপায়ে সংগঠিত সরকার কখনও কোনও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতায় বসতে পারে না। এই মর্মে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন করার জন্য চাপ দিয়েছেন তিনি যাতে ২০২৬ এর প্রথম থেকেই কোনও নির্বাচিত সরকার বাংলাদেশ পরিচালনা করার দায়িত্ব পেতে পারে।

এর সঙ্গে মহম্মদ ইউনুসের পাকিস্তান পন্থী আচরণ, চিনের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করে ভারতের বিপক্ষে অবাস্তব সামরিক কথাবার্তা বলাতেও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সেদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকর উজ্জামান।
শুধু তাই নয়, বিএনপি সফ অন্যান্য রাজনৈতিক দলও মহম্মদ ইউনুসের ভারত বিরোধী নীতিতে অসন্তুষ্ট। বিএনপি থেকেও নির্বাচন আয়োজন করার চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর। ফলত: মহম্মদ ইউনুস সমস্ত রাজনৈতিক দলের তরফে যে ধরণের সমর্থন আশা করেছিলেন তা তিনি পাচ্ছেন না। বিশেষত সে দেশের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে মহম্মদ ইউনুসের সরকারের বিরুদ্ধে। এর ফলে ভারত সহ অন্যান্য শক্তিধর দেশও বাংলাদেশের প্রতি অনেক আগে থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছিল।
শুধু রাজনৈতিক দল ও সেনাবাহিনী নয়। মহম্মদ ইউনুসের নীতিতে সে দেশের জনগনের গুরুভাগও অসন্তুষ্ট। এই পরিস্থিতিতে মহম্মদ ইউনুস পদত্যাগ করলে পরবর্তী উপদেষ্টাকেও নিয়োগ করা হবে বলেই সূত্রের খবর। নতুন উপদেষ্টার হাত ধরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে।

Leave a comment