গোটা রাজ্য জুড়েই ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। বিগত কয়েকদিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে মূলত মেঘলা আকাশ এবং বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকার কারণে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও চলবে বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টি। এর সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় বইতে পারে দমকা ঝোড়ো বাতাস।

আজ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাত ও তারসঙ্গে প্রতি ঘন্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে দমকা ঝোড়ো বাতাস। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম ও হুগলিতে এই দমকা ঝড়ের গতিবেগ হতে পারে ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার থেকে ৬০ কিলোমিটার। এই চার জেলায় জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা ও বাকি জেলায় জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। এরই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের আট জেলায় জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা।

হাওয়া অফিসের সূত্রে খবর, আগামী একদিনের মধ্যে পশ্চিম-মধ্য ও তৎসংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। যার ফলে গোটা সপ্তাহ জুড়েই দূর্যোগ সৃশ্টি হতে পারে। উপকুলীয় অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে কিনা তা জানায়নি হাওয়া অফিস।

অন্যদিকে আরব সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ক্রমশ ঘণীভূত হয়ে উত্তরমুখী হচ্ছে গভীর নিম্নচাপের দিকে এগোচ্ছে। এরফলে আগামী ৩ দিন পর থেকে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে উপকুলীয় এলাকায়।

কলকাতায় মূলত আংশিক মেঘলা আকাশ ও বেলা বাড়ার সাথে সাথে পুরোপুরি মেঘলা আকাশ। রাতের তাপমাত্রা বেড়েছে শহরে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের কারণে রয়েছে অস্বস্তিকর গরম আবহাওয়া। বিকেল বা রাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত চলবে।

আজ, কলকাতায় সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১.১ ডিগ্রি বেশি।‌ গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম।‌ ৬১ শতাংশ থেকে ৯৫ শতাংশ রয়েছে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা। আগামী ২৪ ঘন্টায় শহর ও সংলগ্ন এলাকায় তাপমাত্রা হতে পারে ২৪ ডিগ্রি থেকে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

Leave a comment