আগেই অপারেশন সিন্দুরের নিয়ে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল থেকে নিজের নাম তুলে নেন তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠান। এরপরেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয় ‘কেন অন্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে কে থাকবে প্রতিনিধি তা ঠিক করে দেবে কেন্দ্র?’ এরপরেই দলের পক্ষ থেকে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কাউকে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিপাকে পড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। এরপরে অনেক অনুরোধের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজি হন এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করেন। বিশ্বজুড়ে এই প্রতিনিধিদল অপারেশন সিন্দুরের সাফল্য প্রচার করবে। তার সঙ্গে প্রচার করা হবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির।

গতকাল, অর্থাৎ শনিবার সংসদে স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে পেহেলগামে জঙ্গি হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চারজন জঙ্গি কীভাবে নিরাপত্তার বেড়াজাল টপকে ভারতে প্রবেশ করেছিল সেই প্রশ্ন করা হয় বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রিকে। এছাড়াও জানতে চাওয়া হয় ঐ জঙ্গিদের চিহ্নিত করে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না।

এই প্রশ্নের উত্তরে বিক্রম মিশ্রি জানিয়েছেন এই বিষয়টি প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আবার প্রশ্ন করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সংঘর্ষবিরতির মন্তব্যের বিরোধিতা করতে ভারত কি কোন কূটনৈতিক পদ্ধতি ব্যবহার করেছে? এই প্রশ্নের কোনওরকম সরাসরি উত্তর মেলেনি স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে।

Leave a comment