ভারত পাকিস্তান সীমান্তে সংঘাতের আবহে শশী থারুরকে নিজের কংগ্রেসের অন্দরেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁর বিতর্কিত কিছু মন্তব্যের জন্য। কিন্তু তার পরেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বার্তাবাহক হয়ে সাত সদস্যের একটি দল গঠন করা হয়েছে যাঁরা বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দেশে সেই বার্তা পৌঁছে দেবেন। সেই সাত সদস্যের দলের প্রধান দায়িত্ব পেয়েছেন শশী থারুর।

এদিন সকালে কেন্দ্রের সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, “এই মুহূর্তে ভারতের ঐক্যবদ্ধ থাকাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুব শীঘ্রই সাত সদস্যের একটি সর্বদলীয় প্রতিনিধিদের একটি দল কিছু গুরুত্বপূর্ণ দেশে সফর করে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের জিরো টলারেন্সের বার্তা পৌঁছে দেবেন।”
এছাড়াও এই দলে থাকবেন কূটনৈতিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতৃত্ব বৃন্দ। এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে শশী থারুর, তারপর রয়েছেন বিজেপির রবিশঙ্কর প্রসাদ, বিজেপির বৈজয়ন্ত পান্ডা, ডিএমকের কানিমোঝি করুণানিধি, এনসিপির সুপ্রিয়া সুলে, শিবসেনার শ্রীকান্ত একনাথ শিন্ডে।
শশী থারুরের সঙ্গে থাকছেন, এলজেপি-রামবিলাসের শাম্বভী চৌধুরী, জেএমএম-এর ড. সরফরাজ আহমেদ, তেলেগু দেশম পার্টির গান্তি হরিশ মধুর বালাযোগী, বিজেপির শশাঙ্ক মণি ত্রিপাঠী, বিজেপির ভূবনেশ্বর কলিতা এবং শিবসেনার মিলিন্দ দেওরা। এছাড়াও থাকবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভারতের প্রাক্তন অ্যাম্বাসেডর তারাণজিৎ সিং সান্ধু।
শশী থারুর জানিয়েছেন “৫ টি গুরুত্বপূর্ণ রাজধানীতে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করাথ আমন্ত্রণ পেয়ে আমি সম্মানিত। দেশের স্বার্থে ভারতের ভাবমূর্তি পৌঁছে দেওয়ার জন্য সবসময় আমরা বদ্ধপরিকর।”

Leave a comment