এই ড্রোনটি ভারত ডিআরডিও, নিউস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড টেকনোলজিসের মতো বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতায় তৈরি করেছে।


এই ড্রোনগুলিতে উচ্চ-রেজোলিউশন ক্যামেরা, থার্মাল ইমেজিং এবং জিপিএস-ভিত্তিক।


বেশ কয়েকটি ড্রোন একসাথে আক্রমণ চালায়।


এই ড্রোনগুলি তাদের লক্ষ্যবস্তু খুঁজতে পারে নিজে নিজেই।


LMS ড্রোনকে ‘আত্মঘাতী ড্রোন’ও বলা হয়ে থাকে।


LMS ড্রোন মানে কম দামের মিনিয়েচার সোয়াম ড্রোন বা লয়টারিং মিউনিশন সিস্টেম।


এই ড্রোনগুলি একই সাথে একাধিক দিক থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আক্ৰমণ করতে পারে।


এই ড্রোনগুলি আকারে ছোট, LMS বা আত্মঘাতী ড্রোন প্রথম ১৯৮০-এর দশকে বিস্ফোরক বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়েছিল।

Leave a comment