গত ২২ এপ্রিল পেহেলগামের বৈসরণ উপত্যকায় পর্যটকদের ওপর আচমকাই গুলি চালায় জঙ্গিরা। ২৬ জন নিহত ও ১৭ জন আহত হয় সেই জঙ্গি হামলায়। ঐ ২৬ জনের মধ্যে একজন কাশ্মীরি যুবকও রয়েছেন। এরপরেই ভারত পাকিস্তান সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে ক্রমাগত। দেশের বিভিন্ন জায়গায় সেনা মহড়া শুরু হয়। শেষমেষ রার সংঘের দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান। এবার গোটা দেশজুড়ে মক ড্রিলের নির্দেশ কেন্দ্রের।

ইতিমধ্যেই পাকিস্তানি সার্ক ভিসা বাতিল থেকে শুরু করে সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করেছে ভারত। পাকিস্তানের জন্য ভারতীয় আকাশ সীমাও বন্ধ করা হয়েছে। আটারি-ওয়াঘা সীমান্তও বন্ধ। এবার পাকিস্তানকে প্রত্যাঘাত করার জন্য, রাজ্যে রাজ্যে সিভিল ডিফেন্সের মাধ্যমে ‘মক ড্রিল’ করানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

বাংলার কোথায় কোথায় হবে এই মক ড্রিল?

কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, হাসিমারা, ফারাক্কা-খেজুরিঘাট, বালুরঘাট, শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, ইসলামপুর, মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোলাঘাট, হাওড়া, খড়গপুর, বর্ধমান, দুর্গাপুর, বার্ণপুর-আসানসোল, দীনহাটা, জলঢাকা, বীরভূম, হুগলি, হলদিয়া, চিত্তরঞ্জন, রায়গঞ্জ, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদা, কলকাতা।

আচমকা হামলার ক্ষেত্রে কীভাবে মানুষ আত্মরক্ষা করবে সেটা শেখাতেই হবে সাধারণ মানুষদের। যেকোনও মুহূর্তে ব্ল‍্যাক আউটের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বিশেষ বিশেষ কারখানা, সংস্থাকে বাঁচাতে ক্যামোফ্লেজের প্রস্তুতি নিতে হবে এবং হামলা হলে মুহূর্তের মধ্যে এলাকার খালি করতে মক ড্রিলের নির্দেশ দেওয়া হবে।

Leave a comment